সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন লিটন পারভেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শুনতে নিয়মিত সময় দিচ্ছেন রংপুর জেলা বিএনপির নেতা ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ লিটন পারভেজ। দলীয় ব্যস্ততার মধ্যেও অসহায়, দরিদ্র ও বিভিন্ন সমস্যায় পড়া মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর কার্যালয়ে আসা সেবা প্রত্যাশীরা।

নগরীর জুম্মাপাড়ায় অবস্থিত তাঁর কাউন্সিলর কার্যালয়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষ আসেন। কেউ সামাজিক সমস্যার কথা জানান, কেউ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চান, আবার কেউ সরকারি সহায়তা-সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ নিতে আসেন। এসব মানুষের কথা শুনতে এবং তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতার চেষ্টা করতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কার্যালয়ে সময় দেন লিটন পারভেজ।

সম্প্রতি তাঁর কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। সেখানে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষকে সেবা ও পরামর্শের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এ সময় তিনি সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।

এ প্রসঙ্গে লিটন পারভেজ বলেন, “সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর দিনের অধিকাংশ সময়ই মানুষের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সেবা করাকে আমি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করি। মানুষের সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শুনে তাঁদের পাশে থাকতে চাই।”

স্থানীয় কয়েকজন সেবা প্রত্যাশীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা বিভিন্ন প্রয়োজনে লিটন পারভেজের কার্যালয়ে আসেন। তাঁদের ভাষ্য, তিনি মানুষের কথা শোনেন এবং সহযোগিতার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁরা তাঁর নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও লিটন পারভেজের পরিচিতি রয়েছে। তিনি রংপুর জেলা বিএনপির নেতা এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এ ছাড়া তিনি ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা ধরে রাখা এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকার বিষয়টিকে নিজের কাজের অংশ হিসেবে দেখছেন লিটন পারভেজ। তাঁর কার্যালয়ে আসা সেবা প্রত্যাশীদের উপস্থিতি স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর জনসংযোগ কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে ধরেছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *