বাকৃবি সংবাদদাতা:
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন ইকোসিস্টেম ডেভেলপমেন্ট (ডিইআইইডি) প্রকল্পের আওতায় ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব প্রোগ্রাম (ইউআইএইচপি) থেকে সিড গ্র্যান্ট পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাতটি উদ্ভাবনী দল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত দলগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়। নির্বাচিত সাতটি দলের প্রত্যেককে প্রকল্পের প্রয়োজন ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সিড গ্র্যান্ট দেওয়া হয়েছে। দলগুলো হলো- এপিআর ফার্মিং, অ্যাকুয়াভার্ডা, নিউট্রিলাইভস্টক, টিম ব্লুভিয়া, সহজায়ন, করিকাঠ নেক্সাস ও গুড হেলথ অ্যাগ্রো ভেঞ্চার।
জানা যায়, ইউআইএইচপির চারটি ইনোভেশন কোহর্টের (আইসি-১ থেকে আইসি-৪) মাধ্যমে বাকৃবিতে প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চারটি কোহর্টে প্রাথমিকভাবে ১০০টির বেশি ধারণার মধ্য থেকে ৩৭টি দল নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে মেন্টরিং, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কোহর্টভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১৮টি দল ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রি-সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত হয়।
পরবর্তী ধাপে এসব দল সিড গ্র্যান্টের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সারাদেশ থেকে জমা পড়া ৩০০টির বেশি উদ্ভাবনী ধারণার মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে বাকৃবির সাতটি দল সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত হয়।
বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডিইআইইডি প্রকল্পের মাধ্যমে ইউআইএইচপি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাকে উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাকৃবি ইনোভেশন হাবের ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. জোয়ার্দ্দার ফারুক আহমেদ বলেন, বাকৃবি থেকে সাতটি দল সিড গ্র্যান্ট পাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি ভালো অর্জন। ইনোভেশন হাবটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র সেকশন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, এখানে নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা কাজ করার সুযোগ পাবেন। শিক্ষার্থীরা মেন্টরশিপ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কোম্পানি ডেভেলপমেন্টের মতো কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির একটি কার্যকর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি।