বাকৃবিতে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে দুটি অ্যাম্বুলেন্স

বাকৃবি বিশেষ সংবাদদাতা:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এখন থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা দুটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকবে। এতদিন রাতে একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে জরুরি সেবা দেওয়া হলেও নতুন ব্যবস্থায় একই সময়ে দুটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ শাখার পরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একই দিন থেকে দুটি অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরিবহণ শাখা সূত্রে জানা যায়, এর আগে রাতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সচল থাকত। ফলে কোনো অ্যাম্বুলেন্স রোগী নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে একই সময়ে ক্যাম্পাসে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকত না। নতুন ব্যবস্থায় এ সংকট অনেকটাই কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। রাতে একটি অ্যাম্বুলেন্স থাকায় জরুরি সময়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পরিবহণ শাখার পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। বাকৃবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক প্রয়োজন ও সমস্যায় পাশে থাকবে।’

শিক্ষার্থী অনুপ পাল বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ২৪ ঘণ্টা দুটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা হওয়ায় জরুরি সময়ে আমরা আরও দ্রুত সেবা পাব বলে আশা করছি। আগে রাতে অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হলে সংকট তৈরি হতো। এখন এ সমস্যা অনেকটাই কমবে।”

বাকৃবির পরিবহণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্বের। জনবল ও ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতার কারণে আগে একটি অ্যাম্বুলেন্স সচল রাখা হতো। এতে একটি অ্যাম্বুলেন্স ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে গেলে ক্যাম্পাসে জরুরি সেবা ব্যাহত হতো। এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা দুটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকবে। ফলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের অপেক্ষায় থাকতে হবে না।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *