হাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী’র অংশ হিসেবে হাবিপ্রবিতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। দুপুর বারোটায় এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা।
এসময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. মো. মাসুদুল হাসান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আবুল কালাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম এমদাদুল হাসানসহ অন্যন্য শিক্ষকবৃন্দ।
বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধনী বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে আমাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে| সবুজায়নের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু মোকাবিলা এবং একটি টেকসই ও বাসযোগ্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তা সফল করতে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে|
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ হবে পরিবেশ বান্ধব ও জনকল্যাণমূলক| তাই, বৃক্ষরোপন কর্মসূচীকে সফল করতে নিজেকে এবং সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে আমাদের জনসচেতনতা বৃর্দ্ধি ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে|
ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় তার বক্তব্যে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের আর্থিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমরা যদি বৃক্ষরোপন ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে পারি তাহলে আগামী দিনে ফল, ঔষধ এবং আসবাবপত্রের জন্য কাঠ আমদানির ক্ষেত্রে শত শত কোটি টাকা ব্যয় সংকোচন সম্ভব হবে| অত:পর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় একটি চালতা গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা করেন|
উল্লেখ্য, বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস চত্ত্বরে বনজ, ফলদ ও ঔষধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০০টি গাছের চারা রোপন করা হয়|