হাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) আবাসিক ২ হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা থামানোর চেষ্টার সময় সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম এর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় শহীদ আবরার ফাহাদ হলের হামলাকারীরা। এসময় তার নাক ও চোখে আঘাত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে এই ঘটনা ঘটে।
প্রতক্ষ্যদর্শী শিক্ষার্থীদের থেকে জানা যায়, শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য টিএসসির সামনে জড়ো হয়। নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরাও হলের সামনে অবস্থান নেয়। এসময় সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম উভয়পক্ষের উত্তেজনা থামানোর চেষ্টা করেন। নূর হোসেন হলের শিক্ষার্থীদের হলে ফেরত পাঠায়। এসময় উত্তেজিত থাকা শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের ফেরত যেতে বললে তারা ক্ষেপে যায়। এসময় তিনি সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিজের পরিচয় দেন।
এসময় কয়েকজন শিক্ষার্থী শিক্ষকের উদ্দেশ্য বলেন, আমাদের বিষয় আমাদের সমাধান করতে দেন। আপনি এর মধ্যে আসছেন কেন। এই বলে তিনজন মিলে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায় শিক্ষকের ওপর।
পরবর্তীতে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, নাকের হাড়ে বেশ খানিকটা ক্ষত হয়েছে। সম্পূর্ণ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। সর্বোচ্চ ৬৫% পর্যন্ত হইতে পারে। প্লাস্টিক সার্জারি করলে ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে তবে সেটাও নিশ্চিত না। চোখেও কিছুটা আঘাত পেয়েছেন।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের সময় আমার পরিচয় দেওয়ার পরও আচমকা আমার ওপর হামলা হয়। নাকে এবং চোখে আঘাত পেয়েছি। নাকের হাড় বাকা হয়ে গেছে। আমি বর্তমানে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে এসেছি। ইন্টার্নাল কিছু ইনজুরি হয়েছে। ডাক্তার সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।