বাকৃবি বিশেষ সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১০৮ শিক্ষার্থীকে ইন্টার্নশিপের সনদ দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে অনুষদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ‘ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলনকক্ষে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল-ইসলাম।
মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাফিস তাসনিম বিনতি ও সালমান শাহরিয়ার অর্ণব। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্টার্নশিপ ম্যানেজমেন্ট সেলের (আইএমসি) সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. জোয়ার্দার ফারুক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে সম্পন্ন হওয়া ইন্টার্নশিপের ওপর উপস্থাপনা করেন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আল ইমরান। পরে ইন্টার্নশিপ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এ সময় দুজন শিক্ষার্থী তাঁদের ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার ইন্টার্নশিপ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দুই বছর আগে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর উদ্যোগে অনুষদে ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালু করা হয়।
তিনি বলেন, মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে আগামী দিনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ জন্য বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের পাঠ্যক্রম আরও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা মেধা, দক্ষতা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বেসরকারি হ্যাচারি ও ফিশ ফিড মিলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।