সিটি রিপোর্টার:
রংপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজে অফিস ভাঙচুর ও দখল নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনসহ থানায় অভিযোগ করেছেন। বর্তমানে এ নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে তিনটি নির্দেশনা সম্বলিত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নগরীতে উভয়পক্ষেই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেন , শনিবার (১০ অক্টোবর) বহিরাগতরা লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে নৈরাজ্য চালিয়েছে।
। লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে যারা নৈরাজ্য চালিয়ে ক্লাব দখলের চেষ্টা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ বলেন, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং সার্বিক জনস্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্কুলের অভ্যন্তরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতিত অন্য কোনো ব্যক্তি প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকারে নির্ধারিত শ্রেণির ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। সেই সঙ্গে গণবিজ্ঞপ্তি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান পুলিশ কমিশনার।
জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে অবস্থিত লায়ন্স ক্লাবে প্রেসিডেন্ট ফরিদ আহমেদ রুমি গ্রুপ তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। এর কিছুক্ষণ পর এনামুল হক সোহেল গ্রুপ গিয়ে ক্লাব কক্ষের সেই তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে ক্লাবটি পুনঃদখলে নেয়। এরপর থেকে মারমুখী অবস্থান বিরাজ করছে।