বাকৃবির তাপসী রাবেয়া হলে ‘তাপসী প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

বাকৃবি প্রতিনিধি 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবাসিক হল ‘তাপসী রাবেয়া’ হলে আয়োজিত হয়েছে ‘তাপসী প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা-২০২৫’। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলের অভ্যন্তরে এই আয়োজন শুরু হয়। হলের প্রবেশদ্বারে নতুন ফলক উন্মোচন ও দোয়ার মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। 

ফলক উন্মোচনের পরে হলের অভ্যন্তরীণ প্রাঙ্গণে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান শেলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, কোষাধ্যক্ষ (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির,  কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ, হলের হাউজ টিউটরবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আবাসিক শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে হলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও নাটক পরিবেশন করেন। সবশেষে হলের ডাইনিং রুমে সবাই একসাথে রাতের খাবার খাওয়ার মাধ্যমে এই প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার সমাপ্তি হয়।

অনুষ্ঠানে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘তাপসী রাবেয়া হলের  মেয়েরা অনেক ভালো এবং মেধাবী। আমি উৎসাহ দেই এবং দোয়া করি যেন এই হলের মেয়েদের ভালো ফলাফল ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে।  তোমরা যেন নেতৃত্ব দাও ভালো ফলাফল ও কাজের মাধ্যমে। সুনাগরিক হিসেবে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাও।’

সভাপতির বক্তব্যে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান শেলী বলেন, ‘হলে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই  দলগতভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি। হাউজ টিউটর ও মেয়েদের সহায়তায় হলের অনেকটুকু অগ্রগতি করা হয়েছে। হলের রিডিং রুম ও কমন রুমের উনয়ন করা হয়েছে। ফ্যানের ক্যাপাসিটর ও বাল্ব নষ্ট হয়ে গেলে মেয়েরা আগে নিজের টাকায় কিনে নিত। এখন এগুলো সরবরাহে হল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সার্বিকভাবে আমরা সবাই হলের উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ‘

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *