খাদ্য পুষ্টিবর্ধন ও নিরাপত্তা গবেষণায় বাকৃবিতে সিএফকিউএসের যাত্রা শুরু

বাকৃবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘সেন্টার ফর ফুড ফোর্টিফিকেশন, কোয়ালিটি অ্যান্ড সেফটি’ (সিএফকিউএস)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। খাদ্য পুষ্টিবর্ধন, গুণগত মান ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা ও সেবামূলক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে এই কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে সেন্টারটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটও উন্মোচন করা হয়।

কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. জি. এইচ. এম. সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. বোরহান উদ্দিন, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সদ্য সাবেক পরিচালক ও জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, পরিবহন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ, অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁইয়া, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. আবুল বাশার।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া গেইন-এর পক্ষ থেকে অয়েল ফোর্টিফিকেশন কার্যক্রমের জন্য একটি ‘আইচেক মডিউলার’ কিট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনাময় যাত্রার শুভ সূচনা হলো।

তিনি আরও বলেন, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) কেন্দ্রটির কার্যক্রমে আগের মতোই সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। তাই কেন্দ্রটির সফল পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ বিকাশে কোনো বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

আমি কেন্দ্রটির কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করি। পাশাপাশি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের সবাইকে, বিশেষ করে অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। 

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *