হাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরজুমান আঁখি বলেন, ❝ঈদ মানেই আনন্দ, তবে ছোটো বেলার ঈদ-মূহুর্ত গুলো একটু বেশিই রঙ্গিন ছিল। আমার ছোটোবেলায় ঈদের বেশ কিছু মজার স্মৃতি আছে, যা ভুলবার নয়।একবার হয়েছে কি!!…আমার মেহেদীটা আগে থেকেই লিকেজ ছিলো, জানতাম না। ঈদের আগের রাতে মেহেদী দেওয়ার পর রং হয়েছে ফ্যাকাশে। মা আমাকে খুব কষ্টে বুঝালো যে সকাল হলেই কালার চলে আসবে। আমিও সেটা মেনে নিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। সকালে উঠে হাতের অবস্থা আগের মতোই দেখে আমি তো বাড়িতে হুলস্থুল ফেলে দিলাম, কান্নাকাটি করে একাকার। কিছুক্ষণ পরেই আব্বুকে ঈদের নামাজে যেতে হবে। এদিকে আমাকে থামানোও মুশকিল হয়ে গেছে। এমুহূর্তে আব্বুকে চটজলদি পরিচিত দোকানির থেকে দোকান খুলে মেহেদী নিয়ে এসে আমাকে পরাতে হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, আব্বু তো আর মেহেদী আর্টিস্ট না, তিনি আমার হাতে পাখি, লতা-পাতার ছবি একে দিলেন। এমন ডিজাইন দেখে আমার দুঃখ আর দেখে কে! সেই ঈদে আমার কান্নাতেই আসলে বঙ্গোপসাগর তৈরি হয়েছে।নতুন জামা নিয়ে এমনভাবে লুকিয়ে রাখতাম যেন সেটা কোনোভাবেই কেউ দেখতে না পারে, নাহলে জামা পুরোনো হয়ে যাবে যে!ঈদের চাঁদ দেখার সাথে সাথে দল বেধে সবার মাঝে মেহেদী দেওয়ার ধুম পড়ে যেতো।ঈদের দিন নতুন জামা কাপড় পরে সেজে গুজে সব ফ্রেন্ডস, কাজিনরা মিলে ঘুরতাম, আনন্দ করতাম।ছোটোবেলার এই সরল-ছোট বিষয়গুলো যেভাবে উপভোগ করতাম, এখন আর তেমন হয়ে ওঠে না।❞